‘Revolt-দ্রোহ’ চলচ্চিত্র, নারী ও তার যাপিত জীবনের বাকস্বাধীনতাহীন বাস্তবতার গল্প
সংগীতা একটা ফেসবুক পোস্টে মন্তব্য করেছেন, ‘আমরা প্রতিদিন যে ঘটনাগুলো ফেস করি সেগুলোকেই আমি সিনেমায় তুলে ধরতে চেয়েছি...।’ আসলে শিল্প-সাহিত্যের কাজ কিন্তু এই। আমাদের সময়কে, আমাদের চারপাশের নিত্য পরিচিত দৃশ্যগুলোকে আলোয় আঁকা। ইমতিয়াজ মাহমুদ ভাইয়ের সাথে আমি একমত, শত শত মোটা মোটা পুস্তক পরার চেয়ে এই সব চলচ্চিত্র, গান, কার্টুন বিবিধ শিল্পকলা বেশি কার্যকর।
নারী কবির কাছে নগ্ন কবিতার সাবজেক্ট, যুবকের কাছে মাল, পুরোহিতের কাছে নরকে প্রবেশের দ্বার, হুজুরের কাছে শষ্যক্ষেত্র। এক কথায় সমাজের হাজার মতবাদ, শ্রেণী, পেশা থাকলেও, প্রত্যেকের আলাদা আলাদা দর্শন, কর্ম থাকলেও একটা ক্ষেত্রে সবাই এক ছাতার তলায়, আর সেটা হলো নারী ভোগ্যবস্তু। ফেসবুকে কবে যেনো একটা লেখা পড়েছিলাম, হিন্দু গো-মাংস, মুসলমানে শুকরের মাংস হারাম কিন্তু নারী মাংস উভয়ের কাছেই আরাম। এইসব শেয়াল-শকুনের বৃত্ত ভেঙে ফেলার বার্তা সংগীতা দিয়ে গেলো, নারী অপরাজিতা এই বার্তা অপরাজিতা দিয়ে গেলো তার ‘দ্রোহ’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে। এইবার আমাদের ওঁর চলচ্চিত্র থেকে বোধটুকু নেয়ার পালা। আমরা যদি এই বৃত্ত ভাঙতে ঐক্যবদ্ধ হই, হাতে হাত রাখি, তাহলেই এই চলচ্চিত্র তার সবচে বড় পুরুষ্কারটুকু পাবে। আমরা কি সেই পুরুষ্কার সংগীতার হাতে তুলে দিতে পারবো না?
অফটপিক: আরো এক প্লেট ফুচকা পাওনা রইলাম সংগীতা...
লেবেলসমূহ: ফিল্ম রিভিউ
2টি মন্তব্য:
টিমের পক্ষ থেকে আপনার লেখার জন্যে ভালোবাসা জ্ঞাপন করছি
বাহ্ দারুন বলেছেন দাদা
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
এতে সদস্যতা মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন [Atom]
<< হোম